মালদ্বীপ ওয়ার্ক ভিসা আপডেট ২০২৬ maldives visa check News
২০২৬ সালের মার্চ মাসের সর্বশেষ আপডেট অনুযায়ী, Maldives visa check News মালদ্বীপ গামী বাংলাদেশি ভাইদের জন্য মালদ্বীপ ইমিগ্রেশন এবং বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ এবং নতুন নিয়ম জারি করা হয়েছে। যারা নতুন ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাদের জন্য এই তথ্যগুলো জীবন রক্ষাকারী হতে পারে।
নিচে গুরুত্বপূর্ণ আপডেটগুলো একটি পোস্ট আকারে দেওয়া হলো:
📢 মালদ্বীপ প্রবাসী ও নতুন গামীদের জন্য জরুরি আপডেট – ২০২৬
আপনি কি নতুন ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় মালদ্বীপ যাওয়ার কথা ভাবছেন? তবে এই ৫টি পরিবর্তন অবশ্যই জেনে নিন:
১. ডিজিটাল ই-ভিসা (e-Visa) পদ্ধতি চালু:
এখন থেকে পাসপোর্টে কোনো স্টিকার ভিসার প্রয়োজন নেই। মালদ্বীপ ইমিগ্রেশন সম্পূর্ণ ডিজিটাল e-Visa সিস্টেম চালু করেছে। আপনার ভিসা অনুমোদিত হলে অনলাইনে ছবিসহ ই-ভিসা কপি পাওয়া যাবে। এটিই আপনার বৈধ ভ্রমণের প্রমাণ।
২. পাসপোর্টে স্টিকার ভিসার কার্যকারিতা শেষ:
২৩ নভেম্বর ২০২৫ এর পর থেকে পুরনো স্টিকার ভিসা আর কার্যকর নয়। বর্তমানে মালদ্বীপে প্রবেশ এবং বের হওয়ার জন্য শুধুমাত্র ডিজিটাল ই-ভিসা অথবা বৈধ Entry Pass গ্রহণযোগ্য।
৩. ১৫ দিনের মধ্যে কার্ড সংগ্রহ:
মালদ্বীপে পৌঁছানোর পর মাত্র ১৫ দিন সময় পাবেন আপনার চূড়ান্ত ওয়ার্ক ভিসা কার্ড (Work Visa Card) সংগ্রহ করার জন্য। এর মধ্যে সেখানে পুনরায় মেডিকেল এবং প্রয়োজনীয় ফি জমা দিয়ে কার্ডটি নিশ্চিত করতে হবে।
৪. বিএমইটি (BMET) স্মার্ট কার্ড বাধ্যতামূলক:
বাংলাদেশ হাইকমিশন এবং মালদ্বীপ ইমিগ্রেশনের নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, মালদ্বীপ যাওয়ার আগে অবশ্যই আপনার BMET স্মার্ট কার্ড নিতে হবে। এটি ছাড়া ফ্লাই করা সম্ভব নয়।
৫. কিছু পেশায় কোটা বাতিল:
মালদ্বীপ সরকার তাদের স্থানীয়দের কর্মসংস্থান বাড়াতে কিছু সাধারণ পেশায় (যেমন: ক্যাশিয়ার, ট্যাক্সি ড্রাইভার, এবং সাধারণ সেলস পারসন) বিদেশি কর্মীদের কোটা সীমিত বা বাতিল করছে। তাই ভিসা নেওয়ার আগে আপনার পেশাটি বর্তমানে অনুমোদিত কি না তা যাচাই করে নিন।
🔍 আপনার ভিসা আসল কি না নিজেই চেক করুন (অফিশিয়াল লিংক):
-
ওয়ার্ক পারমিট যাচাই: xpat.egov.mv/Home/WorkPermitVerify
-
ই-ভিসা স্ট্যাটাস: immigration.gov.mv (এখানে আপনার পাসপোর্ট নম্বর ও জন্ম তারিখ দিয়ে চেক করুন)।
-
স্মার্ট কার্ড চেক: portal.wewb.gov.bd
💡 বিশেষ সতর্কতা:
কোনো দালাল বা এজেন্সিকে টাকা দেওয়ার আগে Xpat Online System-এ আপনার নাম এবং পাসপোর্ট নম্বর দিয়ে পারমিটটি যাচাই করুন। যদি অনলাইনে তথ্য না আসে, তবে কোনো টাকা লেনদেন করবেন না।
আপনার যদি নির্দিষ্ট কোনো এন্ট্রি পাস (Entry Pass) নম্বর থাকে, তবে সেটি সঠিক কি না যাচাই করতে আমি আপনাকে সাহায্য করতে পারি।